পাতা

সিটিজেন চার্টার

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ এর মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরকে পরিবেশ সুরক্ষা, পরিবেশ উন্নয়ন, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রশমনের জন্য ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আওতায় পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে ৬ (ছয়)টি  বিভাগীয় কার্যালয়ের ন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ও অর্পিত দায়িত্ব পালন করে থাকে।

 

ভিশনঃ  ২০২১ সালের মধ্যে দূষণমুক্ত বসবাসযোগ্য একটি সুস্থ, সুন্দর ও মডেল বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

 

মিশন ঃ  বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে-

·         পরিবেশগত বিধি-বিধানের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ আইন অনুসরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে উদ্বুদ্ধকরণ;

·         পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ উৎসাহিতকরণ ।         

 

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ

·         পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য সংরক্ষণ ও সার্বিক উন্নয়ন;

·         সকল প্রকার দূষণ ও অবক্ষয়মূলক কর্মকান্ড সনাক্তকরণ ও নিয়ন্ত্রণ;

·         সকল ক্ষেত্রে পরিবেশসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ;

·         সকল প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই, দীর্ঘমেয়াদী ও পরিবেশসম্মত ব্যবহারের নিশ্চয়তা বিধান;

·         পরিবেশ সংক্রান্ত সকল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সাথে সক্রিয় অংশগ্রহণ;

·         জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় অভিযোজন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

 

অঙ্গিকারঃ

·         দেশের সামগ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পরিবেশগত মান উন্নয়নের স্বার্থে পরিবেশ আইনের সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রয়োগ করা;

·         নাগরিকগণের সহজ সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সদা সচেষ্ট থাকা;

·         নাগরিক প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়া;

·         নাগরিকগণের প্রতি সততা, শুদ্ধতা এবং স্বচ্ছতার সাথে দায়িত্ব পালন করা;

·         আরোপিত দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন নাগরিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করা;

·         নিজেদের কার্যক্রমকে সর্বদা মূল্যায়ন ও মনিটরিং করা;

·         সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নাগরিকগণের প্রতি সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করা;

·         সমস্ত নাগরিকগণকে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, জেন্ডার, প্রতিবন্ধি, বয়স, ইত্যাদি নির্বিশেষে সমমর্যাদা প্রদান করা।

 

 

পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে যে সকল কার্যμম পরিচালনা করছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলোঃ

·         শিল্প প্রতিষ্ঠানের দূষণ জরীপ, দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণসহ দূষণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে উদ্বুদ্ধ/বাধ্য করা এবং প্রয়োজনঅনুসারে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বিধি লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও পরিবেশ আদালতে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

·         নতুন স্থাপিতব্য বা বিদ্যমান শিল্প কারখানার/প্রকল্পের আবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক  পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান;

·         সরকারী ও বেসরকারী সংস্থা ও ব্যক্তি পর্যায়ে গৃহিত উন্নয়ন কার্যμমের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন এবং ইআইএ সম্পনড়ব করার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান;

·         পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ এবং তা তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা, নির্বিচারে পাহাড় কর্তন রোধ, যানবাহন  জরিপ এবং দূষণকারীযানবাহনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালন

·         বায়ু ও পানির গুণগত মান পরিবীক্ষণ, গবেষণাগারে বায়ু, পানি ও তরল বর্জ্যের নমুনা বিশ্লেষণ;

·         দেশের বিভিন্ন এলাকার পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, ডাটা সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন প্রেরণ;

·         পরিবেশ সংক্রান্ত  বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন, চুক্তি ও প্রোটোকলের দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাধ্যবাধকতাপ্রতিপালনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

·         জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব মোকাবেলায় জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।

·         দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কার্যμম গ্রহণ;

·         বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের আমদানি, পরিবহন, ব্যবহার, ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম গ্রহণ;

·         ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসামগ্রী নিয়ন্ত্রণ;

·         পরিবেশগত সংকটাপনড়ব এলাকায় জনগণের অংশগ্রহণে টেকসই জীববৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ;

·         পরিবেশ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সকলের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরিবেশসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন;

·         সময় সময়ে পরিবেশগত অবস্থানচিত্র প্রণয়ন (স্টেট অব এনভায়রনমেন্ট রিপোর্ট) ও বিতরণ;

·         পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন

·         সামাজিক/সাংস্কৃতিক/অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রম প্রতিষ্ঠা;

·         পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিভিন্ন প্রকল্প এবং গবেষণাকর্ম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন;

·         নিষিদ্ধ ঘোষিত (পুরুত্ব ৫৫ মাইক্রোন এর নিম্নে) পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন ও বাজারজাতকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ;

·         সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে গৃহীত বিভিনড়ব প্রকল্প/উদ্যোগ পর্যালোচনা ও মূল্যায়নপূর্বক পরিবেশগত মতামত প্রদান;

·         পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে সক্ষমতা তৈরীর লক্ষ্যে বিভিনড়ব প্রশিক্ষণ,কর্মশালা, মতবিনিময় সভা, ইত্যাদি আয়োজন ;

·         দেশের প্রায় সকল মন্ত্রণালয় এবং তার অধীনস্থ দপ্তরসমূহসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন।

সেবা প্রদানের পরিধি ও পদ্ধতিঃ

 

সেবা প্রদানের পরিধি

করণীয়

সেবা প্রদানের প্রাথমিক কার্যক্রম

গ্রাহক বা ভোক্তার বিবরণ

প্রার্থিত সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ সময়

শিল্পদূষণ নিয়ন্ত্রণ

দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বিধির আলোকে ব্যবস্থা গ্রহণ।

মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন/জরীপ পরিচালনা, উদ্বুদ্ধকরণ, নোটিশ প্রদান, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা অথবা পরিবেশ আদালতে মামলা দায়ের।

জনগণ

 

৫০ কার্যদিবস অথবা বিধি দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমা

পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান

স্থাপিতব্য বা বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠান/ প্রকল্পের আবেদনপত্র ও কারিগরী প্রতিবেদনসমূহ (আইইই, ইআইএ, ইএমপি ইত্যাদি) পর্যালোচনাসহ সরেজমিন পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ।

আবেদনপত্রসহ কারিগরী প্রতিবেদনসমূহ (আইইই, ইআইএ, ইএমপি ইত্যাদি) গ্রহণ, পর্যালোচনা, প্রকল্প এলাকাসহ পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্নকরণ।

উদ্যোক্তা

বিধিদ্বারা নির্ধারিত সময়সীমা (১৫ থেকে ৬০ কার্যদিবস)

পরিবেশগত সমীক্ষা পরিচালনা এবং পর্যালোচনা

শিল্পপ্রতিষ্ঠান/প্রকল্পের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ (ইআইএ) প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদন এবং ইআইএ সম্পন্ন করার বিষয়ে পরামর্শ প্রদান; পরিবেশগত দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ।

সংশ্লিষ্ট ইআইএ প্রতিবেদন গ্রহণ, পর্যালোচনা, প্রকল্প এলাকাসহ পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিদর্শন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্নকরণ; পরিবেশগত দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে সমীক্ষা পরিচালনা।

উদ্যোক্তা

এবং

জনগণ

বিধি দ্বারা নির্ধারিত সময়সীমা (১৫ থেকে ৬০ কার্যদিবস) অথবা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকার

কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা

পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি

পরিবেশ দূষণসংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ এবং তা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে  নিষ্পত্তি করা।

অভিযোগ/প্রতিকার প্রার্থনার আবেদনপত্র গ্রহণ, সরেজমিন পরিদর্শন, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয় প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ।

জনগণ

তিন মাস

পাহাড়ের প্রতিবেশ ব্যবস্থা সংরক্ষণ

নির্বিচারে পাহাড় এবং গাছপালা কর্তন রোধ।

সরেজমিন পরিদর্শন, তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ

জনগণ

১৫ কার্যদিবস

যানবাহন জনিত দূষণ নিয়ন্ত্রণ

যানবাহন জরিপ এবং দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা।

রাস্তায় চলাচলরত যানবাহন পরীক্ষা ও দূষণকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ।

জনগণ

তাৎক্ষণিক

বায়ু ও পানির গুণগতমান পরিবীক্ষণ

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়ু এবং নদী, পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের

প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বায়ু এবং নদী, পুকুর, টিউবওয়েল ও খাবার পানির গুনগতমান নির্ণয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ, বিশেলষণ, প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ ও নির্দেশ প্রদান ডেটা সংরক্ষণ ও প্রতিবেদন প্রকাশ।

জনগণ

নিয়মিত

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ

দেশের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কার্যক্রম গ্রহণ।

পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় জনগণের অংশগ্রহণে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদার করা, জীববৈচিত্র্য সনদের আওতায় কর্মকৌশল তৈরী ও বাস্তবায়ন; জীবনিরাপত্তার ক্ষেত্রে কর্মকাঠামো গঠন ও বাস্তবায়ন।

জনগণ

নিয়মিত

বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের নিরাপদ ব্যবহার সংক্রান্ত কার্যাবলী

বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের আমদানি, পরিবহন, ব্যবহার, ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম গ্রহণ।

বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক রাসায়নিক পদার্থের আন্তদেশীয় চলাচল ও মজুদ বিষয়ে সমীক্ষা পরিচালনা করা; এগুলোর নিরাপদ অপসারণ বা ধ্বংসের লক্ষ্যে কর্মকৌশল প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন।

জনগণ

 

ওজোনস্তর সুরক্ষা কার্যক্রম

ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যসামগ্রী (ওডিএস) নিয়ন্ত্রণে কর্মসূচি বাস্তবায়ন।

ওডিএস-এর আমদানি, ব্যবহার, মজুদ এবং নিঃসরণ বিষয়ে সমীক্ষার ভিত্তিতে কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।

জনগণ

 

পরিবেশগত সচেতনতা বৃদ্ধি

পরিবেশ বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টি এবং পরিবেশ বিষয়ক তথ্য  সকলের কাছে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা এবং পরিবেশসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসসমূহ যথাযথ মর্যাদায় উদ্যাপন।

সচেতনতার উপকরণ হিসেবে পরিবেশ সংক্রান্ত, প্রেস বিজ্ঞপ্তি পোস্টার, লিফলেট, বুকলেট, স্মরণিকা, টিভি স্পট, ডকুমেন্টারী, গণবিজ্ঞপ্তি, ইত্যাদি তৈরী ও প্রচার। এছাড়া চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা, র‌্যালী, সেমিনার/মুক্ত আলোচনার আয়োজন এবং পরিবেশ বিষয়ক সেমিনার (ট্রেনিং) অন্তর্ভূক্তকরণ, ইত্যাদি কার্যক্রম  আয়োজন।

জনগণ

নিয়মিত

পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় জনগণের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক/সাংস্কৃতিক/অর্থনৈতিক গোষ্ঠীর সাথে অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

বিভিন্ন সামাজিক/ সাংস্কৃতিক/ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবর্গের সাথে সভার মাধ্যমে তাঁদেরকে পরিবেশ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবেশগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক-এর ভিত্তি অংশীদারিত্বমূলক কার্যক্রম গ্রহণ।

জনগণ

নিয়মিত


Share with :

Facebook Twitter